
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
পাহাড়ী জনপদ রামুর ঈদগড়কে নতুন ঈদগাঁও উপজেলায় সম্পৃক্ত করণের দাবি উঠেছেন।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ছাত্র, যুবসমাজ, শিক্ষক, পেশাজীবী,ব্যবসায়ীসহ সর্বশ্রেণী পেশার মানুষ দাবির পক্ষে গণস্বাক্ষর শুরু করে দিয়েছেন।নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, ঈদগাঁও উপজেলা সদর থেকে ঈদগড় বাজারের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। অথচ ঈদগড় থেকে রামু সদর ২৬ কিলোমিটার ও সম্ভাব্য বাঁকখালী উপজেলা সদর থেকে দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা নিশ্চিত করণ,যাতায়াতের ভোগান্তি কমানো, ডাকাতি-অপহরণ এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় ঈদগড় ইউনিয়নকে ঈদগাঁও উপ জেলায় অন্তর্ভুক্ত করার বিকল্প নেই দাবি করেন সর্বশ্রেণীর পেশার মানুষরা। যৌক্তিক দাবিতে সোচ্চার ঈদগড়বাসী। বৃহত্তর জনস্বার্থে আর কোন গাফিলতি নয়, ঈদগড়কে রামু উপজেলা থেকে পৃথক করা হলেই ঈদগাঁও উপজেলায় অন্তর্ভুক্তির দাবি বাস্তবায়ন করার পক্ষে প্রস্তাব দেন সচেতন মহল। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জসীম উদ্দীন জানান,রামু উপজেলা থেকে ঈদগড় ইউনিয়ন কে পৃথক করা হলে ঈদগাঁও উপজেলা সাথে সম্পৃক্ত করার মত প্রকাশ করেন। এর বাইরে অন্যকিছু করার অপচেষ্টা কেউ করে থাকলে সাধারণ জনগণকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে বলে হুশিয়ারে দিয়েছেন।পাশাপাশি ছাত্রসমাজ ও সর্বশ্রেণী পেশার মানুষ উপজেলা-জেলা পর্যায়ে স্মারকলিপি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা যায়। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা:ইব্রাহিম বাবুল তিনিও রামু উপজেলার সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকার কারণে ঈদগড় এলাকার মানুষ রামুতেই থাকতে চায়। তারপরও যদি ভৌগলিক কারণে ভিন্ন উপজেলার সাথে সম্পৃক্ত করতে চায়, তাহলে ঈদগাঁও উপজেলার সাথে সম্পৃক্ত করার দাবি জানান। জনস্বার্থে এলাকার সুবিধার্থে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়ার জন্য সচেতন মহল মত প্রকাশ করেন।ঈদগড়কে ঈদগাঁও উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হউক। সৃজন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সব সময় পাশে থাকবে এমন ঘোষণা দিয়ে তাদের পেইজে পোস্ট করা হয়।
